2. কেন পড়বে EEE ?

2. কেন পড়বে EEE ?

Subject Review : EEE

ইলেকট্রিক্যাল এন্ড ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং/ ইইই

বিষয়বস্তুঃ
ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং-এর জন্ম হয়েছে মূলত ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং থেকে।
ইলেক্ট্রিক্যাল এন্ড ইলেক্ট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং সংক্ষেপে অনেকেই চেনে EEE বা ইলেক্ট্রিক্যাল নামে এবং বাংলায় তড়িৎ ও ইলেক্ট্রনিক কৌশল। । ইলেক্ট্রন নিয়েই যার কাজ, নামের মাঝেই ধারণা পাওয়া যায় । EEE কে বলাহয় “Soul of Engineering” বা “প্রকৌশলবিদ্যার আত্মা”
এই সেক্টরে ইলেকট্রিসিটির পাওয়ার হাউস ডিজাইন ও তার রক্ষণবেক্ষণ, ইলেকট্রনিক্স সংক্রান্ত যাবতীয় বিষয়, Circuit design and application, টেলিকমিউনিকেশন, ইত্যাদি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
কেন পড়বে ইইইঃ
যদি Equation Solve করতে মজা লাগে,ফিজিক্স এর বিদ্যুতের চ্যাপ্টারগুলো অসহ্য না লাগে, তাহলে ইইই তোমাকে হতাশ করবেনা।যদি সার্কিট নিয়ে ঘাটাঘাটি করতে মজা লাগে,রোধের সমান্তরাল সন্নিবেশ, হুইটস্টোন কার্শফের অঙ্ক করতে ভালো লাগে, কিংবা ফিজিক্স বা ম্যাথের জটিল জটিল সব অংকে আনন্দ খুঁজে পাওয় তাহলে বলবো ইইই শুধু তোমার ই জন্য।আবিষ্কারের নেশায় মত্ত হবার সবচেয়ে উপযুক্ত জায়গা হলো ইইই।

 

চাহিদা এবং ভবিষ্যৎঃ

যেকোন দেশেই ইলেকট্রিক্যাল/ ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারের চাহিদা অত্যন্ত ব্যাপক। এর ব্যাপক চাহিদা অতীতে সবসময় ছিল, বর্তমানেও আছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে। বিশেষত আগামী ৫/৬ বছর ইলেকট্রিক্যালের চাহিদা ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়গুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি থাকবে বলে আশা করা যায়।
EEE এর শ্রেণীবিভাগঃ
অনেক বড় পরিসরেই বিস্তৃত ইইই এর শ্রেণী বিভাগ। তবে আপাত দৃষ্টিতে EEE ফ্যাকাল্টিকে ভাগ করা যায় চারটি উপশ্রেণীতে।
1.Power (পাওয়ার)
2.Electronics (ইলেকট্রনিক্স)
3. Communication (কমিউনিকেশন)
4.Computers (কম্পিউটার)
যেখানে Power, Electronics এবং Communication কে ফোকাস করে এবং Computers এর প্রাথমিক প্রয়োজনীয় ধারণাকে সংমিশ্রিত করে গঠিত EEE বিষয়টি।
(এছাড়াও শুধুমাত্র Electronics এবং Communication কে ফোকাস করে গঠিত ECE/ETE বিষয়টি প্রায় ৭০% ক্ষেত্রেই EEE এর অনুরূপ।)

 

কোথায় পড়বেনঃ

ক) দেশে:

– BUET, RUET, CUET, KUET,সহ প্রায় সকল পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় এবং প্রায় সকল প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় যেমন AIUB,AUST, BRAC, NSU, IUB , EWU , UIU ইত্যাদি।

-KUET-এ আছে Electrical & Communication Engineering (ECE) যা EEE এর কাছাকাছি, RUET এ আছে ETE

-কিছু প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে টেলিকমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং (TE) নামে যে বিভাগ আছে তা EEE এর কাছাকাছি।

-NSU, IUB সহ সব বিশ্ববিদ্যালয়ে এই বিষয়টি আছে।
.
খ) বিদেশে:
প্রায় সব খ্যাতনামা এবং মাঝারি মানের বিশ্ববিদ্যালয়- EEE/ECE/TE আছে। এর মধ্যে MIT, Harvard University উল্লেখযোগ্য।
স্কলারশীপঃ
-Term final- এর Result- এর উপর ভিত্তি করে দেশে ও বিদেশে সব বিশ্ববিদ্যালয়ে বিভাগ থেকে বৃত্তি প্রদান করা হয়।
-বিভিন্ন Technical magazine এ থিসিস/ রিসার্চ পেপার জমা দিয়েও বৃত্তি পাওয়া যায়।
– বিভিন্ন Technical Foundation ও বৃত্তি প্রদান করে।

উচ্চশিক্ষাঃ
ক) দেশে:
BUET, RUET, CUET, KUET, প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালসমূহ যেমন , AIUB, AUST, BRAC,EWU,NSU,UIU,IUB. ইত্যাদি।
খ) বিদেশে:
প্রায় সব খ্যাতিনামা ও মাঝারি মানের বিশ্ববিদ্যালয়।

চাকুরির ক্ষেত্রঃ
-B.C.S General
-B.C.S Technical (Electrical যেমন বিদ্যুৎ বিভাগ, T&T ইত্যাদি)
-PDB
-Power management engineer
-নতুন নতুন নেটওয়ার্ক, টাওয়ার, কভারেজ তৈরিসহ সমগ্র সিস্টেম ম্যানেজমেন্টের দায়িত্ব
-Mobile/ Land phone company
– BUET, KUET, RUET, CUET, DUET এবং অন্যান্য প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় যেমন AIUB, Ahsan-ullah, East-West ,BRAC,NSU,IUB, UIUপ্রভৃতি জায়গায় শিক্ষকতা
-যেখানে সাধারণ ডিগ্রিধারীরা আবেদন করতে পারে।

-অন্যান্য কোম্পানী/ ফ্যাক্টরি

©Education21

Leave a Comment

error: Content is protected !!