কিভাবে IELTS এর জন্য প্রস্তুতি নিবেন?

কিভাবে IELTS এর জন্য প্রস্তুতি নিবেন?

IELTS Preparation

পর্ব :২

রিডিং:
লিসেনিং এর পরবর্তী ধাপ রিডিং। এখানে বরাবর ৬০ মিনিট সময় দেওয়া হয়। রিডিং এর ক্ষেত্রে লিসেনিং এর মতো উত্তর লেখার জন্য অতিরিক্ত কোনো সময় দেয়া হয় না।তাই নির্দিষ্ট সময়ের মাঝেই উত্তর লিখে শেষ করতে হবে। তিনটি সেকশনে পরীক্ষা হয়ে থাকে।প্রতিটি সেকশন থেকে গড়ে ১২/১৪ টি করে মোট ৪০টি প্রশ্ন করা হয়। প্রশ্ন গুলো কোনো একটি বিষয়ে লং প্যাসেজ আকারে থাকবে।এই প্যাসেজগুলোর মাঝে (৬-৮) ছোট প্যাসেজ থাকবে।অর্থাৎ, (২৪_২৮)টি ছোট প্যাসেজ থেকে ৪০ টি উত্তর খুঁজে বের করতে হবে। প্রশ্নগুলো ( Yes/No/Not given / True/False/Not given, fill in the blanks, Question and Answer) ধরনের হয়ে থাকে। এছাড়া,choosing Suitable Heading for paragraph এ ধরনের একটি প্রশ্ন আসে।

উদাহরণ :একটি প্যাসেজের মাঝে ৫ টি প্যারা থাকবে।অনেকগুলো অপশন থেকে প্রতিটি প্যারার জন্য কে একটি করে লিখতে হবে। সেক্ষেত্র পুরো টাইটেল লেখার প্রয়োজন নেই। অর্থাৎ, প্রথম প্যারার টাইটেল D অপশনে হলে শুধু D লিখলেই হবে। একাডেমিক ও জেনারেল দুই ক্ষেত্রে পরীক্ষা পদ্ধতি কিছুটা ভিন্ন হয়ে থাকে।

রিডিং এর ক্ষেত্রে প্রস্তুতি :
১/ এই সেকশনে ভালো করার অন্যতম শর্ত হলো ইংরেজি পড়ার অভ্যাস করা।কারণ,প্যাসেজ গুলো একেকটি লপ্রায় ৬০০/৭০০ শব্দের হয়ে থাকে।
২/ আরো, বিস্তারিত ধারণা পেতে ক্যাম্ব্রিজ এর বইগুলো থেকে টেস্ট দিয়ে দক্ষতা বৃদ্ধি করতে হবে।
৩/ ইংরেজিতে গল্পের বই,ডকুমেন্টারি,নিউজ আর্টিকেল পড়তে পারেন ।
৪/ কিছু ট্রিকস অনুসরণ করতে হবে যেমন CHUNKING এবং SKMMING করা।যা সম্পর্কে বিস্তারিত ধারণা ইউটিউবে পেয়ে যাবেন।

রাইটিং:
এটি মূলত দুই সেকশন Task 1 এবং Task 2 এ হয়ে থাকে।
task 1 এ গ্রাফ,টেবিল,ডায়াগ্রাম,চিত্র দিয়ে প্রশ্ন থাকে। যেটার রচনা আকারে বর্ণনা করতে হবে। সর্বনিম্ন ১৫০ শব্দের হতে হবে।তবে ২০০ শব্দের লিখলে ভালো হয়।সময় দেয়া হয় ২০ মিনিট।
task 2: এটি তুলনামূলক কঠিন হয় কিছুটা। বেশ কয়েক ধরনের প্রশ্ন থাকে এখানে।কোনো একটা বিষয় এর উপকারিতা বা অপকারিতা নিয়ে লিখতে বলা হয়ে থাকে।

রাইটিং এর ক্ষেত্রে প্রস্তুতি:
১/ লেখার মান ভালো হতে হবে।তাছাড়া, অপ্রাসঙ্গিক বা অপ্রয়োজনীয় বর্ণনা তুলে ধরা যাবে না।
২/ হাতের লেখা সুন্দর ও স্পষ্ট হতে হবে।
৩/বানানে সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।তাই বানান লিখে লিখে অনুশীলন করতে হবে।
৪/ প্রচুর ভোকাবুলারি জানতে হবে। একই শব্দ বারবার ব্যবহার করা যাবে না।নাম্বার কম পাবার সম্ভাবনা থাকে।

স্পিকিং:
এই ধাপটি তিনটি সেকশনে বিভক্ত। যেখানে (১২-১৫) মিনিট সময় দেয়া হয়।
১ম পর্ব:পরিচয় পর্ব দিয়ে প্রথম ভাগ শুরু হয়। এক্ষেত্রে,পরীক্ষক আপনার ব্যক্তিগত তথ্য, নাম, ঠিকানা,পেশা,পরিবার ও আপনার শহর সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারেন। আপনার কোনো শখ আছে কিনা তা নিয়ে আলোচনা করতে পারে। এই পর্বটি কে আড্ডা পর্ব বললেও ভুল হয় না।
২য় পর্ব: দ্বিতীয় পর্বে পরীক্ষক আপনাকে কিছু কার্ড দিবেন।কার্ডে থাকা বিষয়বস্তু সম্পর্কে আপনাকে বলতে হবে। প্রথমে ১ মিনিট আপনাকে উত্তর প্রস্তুত বা ভাবার সময় দিবে।পরবর্তী ২ মিনট বলার সুযোগ দেয়া হবে।মাঝখানে পরীক্ষক কিছু বেসিক প্রশ্নও করতে পারেন। গল্প বলার মতো করে বলবেন । এতে আটকে যাবার সম্ভাবনা কম থাকে। মনে রাখবেন পরীক্ষক আপনার দক্ষতা যাচাই করছেন।তাই দক্ষতা প্রকাশের চেষ্টা করবেন।
৩য় পর্ব: তৃতীয় পর্বটি মূলত প্রশ্ন/উওর পর্ব। যেখানে পরীক্ষক আপনাকে ৫/৬ টি প্রশ্ন করবেন,২য় পর্বের কার্ডের বিষয়বস্তুর উপর।আপনার অভিমত জানতে চাইবেন। কোনো বিষয় এ আপনার জ্ঞান না থাকলে কল্পনা শক্তি থেকে বলার চেষ্টা করুন।

স্পিকিং এর প্রস্তুতি:
১/ স্পিকিং এ ভালো করার উৎকৃষ্ট পন্থা হলো প্রতিদিন কারো সাথে ৩/৪ ঘন্টা অনুশীলন করা।
২/ কথা বলার সময় ফ্লুয়েন্সি ঠিক রাখতে হবে আটকে যাওয়া চলবে না। তাই বেশি বেশি অনুশীলন এর মাধ্যমে ইংরেজি বলার স্বাচ্ছন্দ্যেতা নিজের ভিতর তৈরি করতে হবে।
৩/মোবাইলে নিজের কথোপকথন গুলো রেকর্ড করে বা আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে অনুশীলন করা যায়।।
৪/ সর্বপরি,উচ্চারণ, ব্যাকরণ ও ভোকাবুলারি তে পারদর্শী হতে হবে।

কিছু সাধারণ পরামর্শ :
১/ কোনো অবস্থাতেই নার্ভাস হওয়া যাবে না।
২/ লিসেনিং ও রিডিং এ Number (singular /plural) এর প্রতি বিশেষ লক্ষ্য রাখতে হবে।
৩/ লিসেনিং ও রিডিং এ পেন্সিল ব্যবহার করতে হবে। উত্তরগুলো ইংরেজি বড় হাতের অক্ষরে লিখলে ভালো হয়।
৪/ রাইটিং এর ক্ষেত্রে কলম বা পেন্সিল যেকোনো টাই ব্যবহার করা যাবে।
৫/ পরীক্ষার হলে পাসপোর্ট ব্যতীত অতিরিক্ত কোনো কিছু নেয়ার অনুমতি নেই।

Leave a Comment

error: Content is protected !!