Industrial and Production Engineering কেনো পড়বো?

Industrial and Production Engineering কেনো পড়বো?

IPE, Industrial and Production Engineering (শিল্প ও উৎপাদন প্রকৌশল)

আইপিই হল মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং,ইন্ডাস্ট্রিয়াল ইঞ্জিনিয়ারিং এবং ম্যানেজমেন্ট সায়েন্সের সমন্বয়ে সমন্বিত একটি বিষয় ,বাংলাদেশের মানুষের মাঝে বিষয়টি এখনো সেভাবে পরিচিতি লাভ করেনি। উইকিপিডিয়া অনুসারে- IPE is a branch of engineering concerned with the development, improvement, implementation and evaluation of integrated systems of people, money, knowledge, information, equipment, energy, materials and processes.

আমেরিকার মত উন্নত দেশগুলিতে এই সাব্জেক্টটি অনেক আগেই পরিচিতি লাভ করেছে।দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে ইন্ডিয়ান ইন্সটিটিউট অফ টেকনোলজি ১৯৭৪ সালে প্রথম এ বিষয়টি চালু করে।কিন্তু তখনো বাংলাদেশের মত তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলি আইপিই এরসাথে পরিচিত হয়ে ওঠেনি।১৯৮১ সাল থেকে শুরু করে ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত এটি মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং এর একটি বিশেষ অংশ হিসেবে পড়ানো হত এবং শুধুমাত্র M.Sc. ডিগ্রি দেওয়া হত।১৯৯৭ সাল থেকে এবিষয়ের উপর B.Sc. ডিগ্রি চালু করা হয়। তাই বলা যায় ১৯৯৭ সাল থেকেই এদেশে আইপিই এর যাত্রা শুরু ।

বর্তমানে বিষয়টি RUET,BUET,KUET, SUST, BUTex,,JUST , AUST ,AIUB  সহ বিভিন্ন ভার্সিটিতে পড়ানো হয়ে থাকে।Industrial and Production Engineering শুনলেই মনের মধ্যে ভেসে ওঠে ধোঁয়া ওড়া কোনো ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ করছে লোকজন।কিন্তু আইপি ইঞ্জিনিয়ার মানেই যে শুধুমাত্র ধোঁয়া ওড়া কোনো ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ করবে এই ধারণা ভুল।একজন আইপি ইঞ্জিনিয়ারের কর্ম পরিসর বিস্তৃত। বিভিন্ন ইন্ডাস্ট্রি,মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানি ছাড়াও Yahoo, Intel এর মত বড় জায়গায় রয়েছে আইপি ইঞ্জিনিয়ারের চাহিদা। গার্মেন্টস শিল্পে রয়েছে আইপি ইঞ্জিনিয়ারের প্রচুর চাহিদা।

এছাড়া ব্রিটিশ আমেরিকান টোবাকো,ওয়াল্টন,ইউনিলিভার,পেপসিকো,আকিজ গ্রুপ,বি এস আর এম,এ সি আই,সিংগার,পি এইচ পি,ভিয়ালাটেক্স,থারমেক্স গ্রুপ, এফ সি আই,নেসলে,প্রান,গ্রামীণফোন, বাংলালিংক,অটবি, রহিম আফরোজ, ডি বি এল গ্রুপ, হাতিল, নাভানা, কোহিনুর কেমিকেল, স্কয়ারসহ অসংখ্য মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানিতে রয়েছে আইপি ইঞ্জিনিয়ারদের চাকরির বিশাল সুযোগ।এমনকি হাসপাতালের ব্যাবস্থাপনার জন্য আইপি ইঞ্জিনিয়ারের প্রয়োজন হয়।এছাড়া বাইরের বিভিন্ন দেশেও রয়েছে আইপি ইঞ্জিনিয়ারের চাকরির সুযোগ।

আইপি ইঞ্জিনিয়ারের কাজ কি?–
একটা মেশিনের কথা ভাবা যাক।একজন মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারের কাছে মেশিনটি হল হার্ডওয়্যার।একজন অর্থনীতিবিদের কাছে মেশিনটি হল আর্থিক সম্পদ যার হিসাব হয় লাভ ক্ষতির মাধ্যমে যে এটি বাজারে থাকলে লাভ হবে নাকি ক্ষতি হবে।কিন্তু একজন আইপি ইঞ্জিনিয়ারের কাছে এটি প্রোডাকশন রিসোর্স।তাকে একই সাথে মেশিনটি চালাতে জানতে হয়,ম্যানেজ করতে জানতে হয়,জানতে হয় মেশিনটি কিভাবে ব্যাবহার করে কম খরচে সর্বাধিক উৎপাদন পাওয়া সম্ভব। একজন ডাক্তারের কাছে মানুষ মানে বিভিন্ন অঙ্গ প্রত্যঙ্গের সমষ্টি।কিন্তু আইপি ইঞ্জিনিয়ারের কাছে তা মানব সম্পদ।তাকে জানতে হয় কিভাবে সীমিত মানব সম্পদ নিয়ে কাজ করে নিখুতভাবে সর্বাধিক অত্যানুকূল উৎপাদন নিশ্চিত করা যায়। আইপিই এমন একটি প্রকৌশল শাখা যা পণ্য,সেবা ও কাজের মানোন্নয়ন;উৎপাদন খরচ কমানো;সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহার নিশ্চিত করা নিয়ে কাজ করে। একজন আইপিই ইঞ্জিনিয়ারকে একটি শিল্প-কারখানা ও প্রতিষ্ঠানে লোকবল নিয়ন্ত্রণ, দক্ষ জনবল তৈরি ও জনবলের সঠিক ব্যবহার, যন্ত্রপাতির সুষ্ঠু ব্যবহার নিশ্চিতকরণ, আধুনিক যন্ত্রপাতির সমন্বয়, প্রশাসন, বাজারজাতকরণ, মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা, বিপণন পরিকল্পনা, পণ্য ও যন্ত্রপাতির নিরাপত্তা-মানোন্নয়ন প্রভৃতি কাজ করতে হয়। এছাড়া অপটিমাইজেশনের বিষয়ে বিশেষভাবে লক্ষ্য রাখতে হয় একজন আইপি ইঞ্জিনিয়ারকে।লিমিটেড ইনপুট তথা সীমিত জনবল,অর্থ, নিয়ে কাজ করে সর্বাধিক আউটপুট পাওয়াই হল অপটিমাইজেশন।একটা কোম্পানির সামগ্রিক অবস্থা চিন্তা করে কেমন লোকবল লাগবে বা কোনো প্রোডাক্টের কাঁচামালের বিষয় থেকে বাজারের অবস্থা সবকিছুর বিষয়েই সুনিপুণ জ্ঞান থাকে একজন আইপিই ইঞ্জিনিয়ারের।

কি পড়ানো হয় আইপিই তে?—
আইপিই তে কোর্স হিসেবে ম্যানুফ্যাকচারিং প্রসেস, প্রোডাক্ট ডিজাইন এ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট, অপারেশন রিসার্চ, CAD, ইঞ্জিনিয়ারিং ইকোনোমিক্স, ইঞ্জিনিয়ারিং স্ট্যাটিসটিক্স, ইন্ডাসট্রিয়াল ম্যানেজমেন্ট, অপারেশন্স ম্যানেজমেন্ট, প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট, টোটাল কোয়ালিটি ম্যানেজমেন্ট, সাপ্লাই চেইন ম্যানেজমেন্ট, হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট, কোয়ালিটি কন্ট্রোল, ইঞ্জিনিয়ারিং মেকানিক্স, থার্মোডায়নামিক্স&হিট ট্রান্সফার, অর্গানাইজেশনাল বিহেভিয়ার, হিউম্যান ফ্যাক্টর ইঙ্গিনিয়ারিং, ইন্ডাস্ট্রিয়াল সিম্যুলেশন, ফ্লুইড মেকানিকস, মেশিন টুলস, মেশিন ডিজাইন, Fundamentals of Electric Circuit Analysis, Electrical Machines সহ আরও অনেক বিষয় পড়ানো হয় আইপিই ইঞ্জিনিয়ারকে ম্যানেজমেন্টের কোর্সও পড়তে হয়।এখানেই অনেকে আইপিই আর বিবিএ কে এক করে ফেলার মত বিশাল ভুলটি করে।সায়েন্টিফিক প্রবলেম সলভ করার পাশাপাশি সকল কিছু ম্যানেজ করার গুরুদায়িত্ব পালন করে একজন আইপি ইঞ্জিনিয়ার।সায়েন্টিফিক্যালি চিন্তা করে প্রতিটি পদক্ষেপ নিতে হয় তাকে।অর্থাৎ Science and management are combined here in IPE.আর এখানেই বিবিএ আর আইপিই এর পার্থক্য। লিডারশীপ, স্মার্টনেস আর ইন্টার-অ্যাকটিভ কোয়ালিটির এক মেলবন্ধন আইপিই।

উচ্চশিক্ষা গ্রহণের ক্ষেত্রেও রয়েছে অপার সম্ভাবনা, দেশেবিদেশে দুই জায়গাতেই রয়েছে উচ্চশিক্ষা গ্রহণের সুযোগ। ইঞ্জিনিয়ারিং এবং ম্যানেজমেন্টের সমন্বয় হওয়ায় চাকরি পাওয়ার ক্ষেত্রে প্লাস পয়েন্ট হিসেবে কাজ করে।কারন কোম্পানি যখন একই ব্যক্তির মধ্যে দুটি গুণ একই সাথে পাবে তখন কে তাকে হাতছাড়া করতে চায়!!! টেক্সটাইল ,গার্মেন্টস সেক্টরে রয়েছে আইপি ইঞ্জিনিয়ারের প্রচুর চাহিদা।

আইপি ইঞ্জিনিয়ারের প্রধান প্রধান কর্মক্ষেত্রগুলো হল :
ম্যানুফ্যাকচারিং, প্রোডাকশন,এপারেল, সার্ভিস, ম্যানেজমেন্ট, বিজনেস, সেফটি, মেইন্টেইনেন্স,এনার্জি ,মেডিকেল,সাপ্লাই চেন ম্যানেজমেন্ট ইত্যাদি। উদ্যোগতাদের জন্য খোলা রয়েছে অসীম সম্ভাবনার দুয়ার।একজন দক্ষ আইপি ইঞ্জিনিয়ারকে চাকরির জন্য ছুটতে হয় না,চাকরিই তাকে খুজে নেয়। বর্তমান যুগ শিল্পোন্নয়নের যুগ।যে দেশ শিল্পক্ষেত্রে যতবেশি উন্নত সে দেশের অর্থনীতি ততো বেশি শক্তিশালী।ফলে সে দেশের মানুষের জীবনযাত্রার মানও উন্নত।বাংলাদেশের মত উন্নয়নশীল দেশে শিল্পের প্রসার দিন দিন বেড়েই চলেছে।ফলে সমানুপাতিক হারে বেড়ে চলেছে আইপি ইঞ্জিনিয়ারের চাহিদা।

Subject Review : Industrial Production Engineering

আইপিই (ইন্ড্রাসটিয়াল অ্যান্ড প্রোডাকশন ইঞ্জিনিয়ারিং) হয়তো এখনো বাংলাদেশের মানুষের কাছে সিভিল, ইলেক্ট্রিক্যাল, কম্পিউটার কিংবা মেক্যানিকাল মতো ইঞ্জিনিয়ারিং সাবজেক্ট খুব বেশি পরিচিতি পায় নি। আমার এই অল্প পরিসরে আমি অসংখ্য মানুষ পেয়েছি যারা দাঁত মুখ খিঁচিয়ে, ভুরু নাচিয়ে, বিশাল ধরণের একটা প্রশ্নবোধক তৈরি করে তাকায়…… “এইডা আবার কী!” একটু পেছনে ফিরে তাকাই, আমাদের মতো উন্নয়নশীল দেশগুলোর শিক্ষার ধারা অনুযায়ী সবচেয়ে জনপ্রিয় বিষয়গুলোর মধ্যে ইঞ্জিনিয়ারিং ও ডাক্তারী শীর্ষে। রূঢ় হলেও অনস্বীকার্য সামাজিক অবস্থান এবং চাকরি আর ভবিষ্যৎ-ই এখানকার একমাত্র নিয়ামক। শীর্ষ মেধাবীদের আনাগোনা থাকলেও বিগত কিছু বছরের হিসেব কিন্তু ওলট-পালট করে দেয় অনেক কিছুই, একজন বিবিএ কিংবা এমবিএ করা শিক্ষার্থী থেকে কিন্তু আক্ষরিক অর্থে একজন ইঞ্জিনিয়ারিং পাশ করা ছেলে কিংবা মেয়ে অনেক বেশি জানে, সমস্যাটা দাঁড়ায় অন্যখানে। অনেক কিছু জানবার পরও যখন ইন্টারভিউ বোর্ডে পাশাপাশি দু’জনকে আমরা পাই, দেখি চমৎকার স্মার্ট বিবিএ/এমবিএ করা ছাত্র/ছাত্রীটি দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে হারিয়ে দিলো ইঞ্জিনিয়ারিং এর মেধাবীকে। হয়তো এর পিছনের কারণ, আমরা শিখি অনেক কিছুই, কিন্তু বলতে পারি না তার সিকি ভাগই, কিন্তু তার তুলনায় সেই বিবিএ/এমবিএ করা মানুষটি যতটুকুই জানুক সেটা প্রকাশে দুর্দান্ত ধরণের চৌকস, আর চাকরী?? কার দিকে পাল্লা ভারী বলতে হয় এখন?

আমাদের দেশের ইঞ্জিনিয়ারদের অনেক কিছুই শেখানো হয়, শেখানো হয় কী করে মেশিন তৈরি করতে হয়, কী করে মেশিন কাজ করে, তবে সত্যি কথা হলো, আমাদের দেশে কিন্তু বড়ো বড়ো মেশিন তৈরি করা থেকে বাইরে থেকে সেগুলো কিনে এনে তার সাহায্যে প্রোডাকশনের দিকেই জোর দেয়া হয়। ভেঙ্গে বলতে গেলে আমাদের দেশের যারা ৫/১০ কোটি টাকা দিয়ে বাইরে থেকে একটা মেশিন কিনে আনেন, তারা সেটার কমিশনিং (Setup) এর জন্য বাইরে থেকেই সাহায্য পান। কিন্তু সেই মেশিনটি ব্যবহার করে কী করে আমরা প্রোডাকটিভিটি (উৎপাদনশীলতা) বৃদ্ধি করতে পারি, সেটা কিন্তু পান না। কী করে একটা ফ্যাক্টরির লে-আউট তৈরি করতে হয়, যাতে সবচেয়ে কম Material Movement দিয়ে কী করে প্রোডাকশন করা যায়। ঠিক কতজন লোক ব্যবহারে Optimum খরচ হবে। ঠিক কী করে কাজ করলে, প্রসেসগুলো ঠিক করলে আমরা কোয়ালিটি বাড়িয়ে Product Defect কমাতে পারবো, সেটা কেউ বলে না। আর এখানেই আইপিই আলাদা, শুধু ইঞ্জিনিয়ারিং শেখানো না, শিক্ষাটাকে কী করে আরেকজনের কাছে তুলে ধরতে হবে, কী করে নিজেকে আরেকজনের সামনে প্রেজেন্ট করতে হবে, কী করে তৈরি করতে হবে দুর্ধর্ষ প্ল্যানিং, ইন্ডাস্ট্রির Process, Layout, Manpower আর Limited Resource নিয়ে কী করে দুর্দান্ত সেটাপ দিয়ে একটা অসাধারণ প্ল্যান করে ফেলা যায় সেটাই আইপিই শেখায়। ইঞ্জিনিয়ারিং আর ম্যানেজমেন্ট-এর ব্রিজ হিসেবে কাজ করে আইপিই। আর সেই কারণেই আপনি যদি একজন মানুষের মধ্যেই ইঞ্জিনিয়ারিং এর দুর্দান্ত কৌশল আর ম্যানেজমেন্টের সুক্ষ্ণ হিসেব নিকেশ পেয়ে যান, কেন আপনি আলাদা করে দুজন কে হায়ার করবেন??

টিমওয়ার্ক এখন যেকোন ইন্ডাস্ট্রির এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। যেকোন প্রজেক্টে কাজ করতে হলে এগিয়ে আসতে হবে নিজস্বভাবনা, বোধ আর আইডিয়া নিয়ে, আর টিমকে লিড করার ক্ষমতা না থাকলে কিন্তু অনেক কিছুই বিফলে মারা যাবে! টিমের মধ্যে কাজটাকে ভাগ করে নেয়া, কে কোন অংশটা করবে, প্রজেক্টের ম্যানেজ কে করবে, কী করে টাইমলাইনের মধ্যে কাজটা নামানো যাবে, এইসব ভাবনা কিন্তু একজন টিমলিডারকেই ভাবতে হয়, আর একজন ইঞ্জিনিয়ার ছাড়া এইসব ভাবনা কার উপর সঁপে দিয়ে শান্তি পাওয়া যায় বলো?? আর সে যদি হয় আইপিই ইঞ্জিনিয়ার?? তাহলে তো সোনায়-সোহাগা!! স্মার্টনেস আর মানুষজনের সাথে যত বেশি ইন্টারঅ্যাকটিভ হতে পারবে, যত নিজেকে express করতে শিখবে ততই তুমি ইন্ডাস্ট্রির একজন অপরিহার্য হয়ে উঠতে পারবে! Production Process Control, Lean Sigma, Quality Control, Zero Defect, Just In Time, Time Study, Supply Chain Management, Safety Engineering, Ergonomics….বাকি সবাই যখন জব লাইফে যেয়ে এইসব শব্দের সাথে পরিচিত হয়, তখন আইপিই ইঞ্জিনিয়াররা মুখ টিপে হাসে…… “এগুলো তো পড়েই এসেছি!!”

আমাদের আইপিই ইঞ্জিনিয়াররা আছে BATB, Unilever, Nestle, Chevron, Lafarge Surma, Grameen Phone, Banglalink সহ অসংখ্য মাল্টিন্যাশনালে আছে আমাদের আইপিই ইঞ্জিনিয়াররা। দেশের বাইরে আছে Yahoo!, Intel এর মতো বিশাল সব ইন্ডাস্ট্রিতে, Optimization এর দুর্দান্ত সব যাদু(বাকিদের কাছে নাকি তাই মনে হয়!) দেখিয়ে ইন্ডাস্ট্রিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে অন্য উচ্চতায়!! তাই আমন্ত্রণ রইলো আইপিইতে আসার। কারন, IPE = Innovative, Proactive, Efficient!

Leave a Comment

error: Content is protected !!