3. English Literature কেনো পড়বো?

3. English Literature কেনো পড়বো?

Subject Review : English Literature

সাহিত্য নিয়ে আমাদের অনেকর মধ্যে একটা ভালো লাগা কাজ করে। কিন্তু ইংরেজি সাহিত্য নিয়ে আমাদের মধ্যে আগ্রহ কি জন্মেছে? হয়তো জন্মছে। প্রাচীন কাল থেকেই ইংরেজি সাহিত্যের সূচনা লগ্ন হয়। ইংরেজি সাহিত্যের জনক জিওফ্রে চাসার।

ইংরেজি সাহিত্য কি? এবং ইতিহাস :
ইংরেজি সাহিত্য বলতে বোঝায় ইংরেজি ভাষার রচিত সাহিত্য। এই সাহিত্যের সূচনা ঘটেছিল খ্রিষ্টীয় ৮ম থেকে ১১শ শতাব্দীর মধ্যে কোন সময়ে রচিত মহাকব্য উল্ ফ-এর স্ক্যান্ডিনেভিয়া অঞ্চলের পটভূমিতে রচতি হলেও ইংল্যান্ড জাতীয় মহাকাব্যের স্বীকৃতি পায়।

ইংরেজি সাহিত্যের উল্লেখ্য যোগ্যকীর্তি :
কবি জিওফ্রে চাসারে (১৩৪৩-১৪০০) রচনাবলি বিশেষত দ্যা ক্যান্টারবেরি টেলস। যেনসাঁর যুগে বিশেষত ১৬শ শতাব্দীর শেষভাগে ও ১৭শ শতাব্দীর প্রথম ভাগে, উইলিয়াম শেক্সপিয়ার, বেন জনসন, জন ডান। ১৭শ শতাব্দীর শেষ ভাগে অপর এক কবি বিখ্যাত কবি জন মিলটন (১৬০৮-৭৪) করেছিলেন মহাকাব্য প্যারডাইস লস্ট (১৬৬৭)। ১৭শ শতাব্দীর শেষ ভাগ ও ১৮ শতাব্দীর প্রথম ভাগ ছিল ব্যঙ্গ সাহিত্যের যুগ। এই যুগে জন ড্রাইডেন ও আলেকজান্ডার পোপের কাব্য ও জনাথন সুইফটের গদ্য রচনাবলির মাধ্যমে ১৮শ শতাব্দীতেই চ্যানিয়েন ডিফো স্যামুযেন রিচার্ডসন ও হেনেরি ফিল্ডিংয়ের রচনার মাধ্যমে ইংরেজি উপন্যার সূচনা হয়। ১৮শ শতাব্দীর শেষ ভাগ ১৯শ শতাব্দীর। প্রথম ভাগের রোমান্টিক কবি উইলিয়াম এডোয়ার্ড সন। স্যামুয়েল টেলর কোলবিজ,পাসিবিশি শেলি, লর্ড বায়রন ও জন কিটসের উত্থান ঘটে।

যাদের বিচরন এর মধ্যেমে ইংরেজি সাহিত্য আরও সমৃদ্ধ হয়েছেঃ
ইংরেজি সাহিত্যের প্রথম আদি কবি- ব্যাডমন, প্রথম বিদ্রোহী কবি- লর্ড বায়বায়ন, ইংরেজি সাহিত্যের আদি নির্দেশন- বিউলফ, কবি দের কবি এডমন্ড স্পেন্সার, দুঃখ কবি- মেথিউ আরনন্ড, গদ্যের জনক – জন ওয়াক্লিফ, সনেটের জনক- স্যার থমাস ওয়াট, সমালোচনার কবি- জন ড্রোডেন, প্রবন্ধকের জনক- ফ্রান্সিস বেকন, স্বভাব কবি- ওয়ার্ড ওথ, উপন্যাস জনক- হেনারি ফিল্ডিং, কবিতা- জিওফারি চাউচার, ছোট গল্প- এডগর এলান পো, মুদ্রণ শিল্পের জনক- উইলিয়াম কাক্রটন, নাটকের জনক- শেক্সপিয়র, আধুনিক ইংরেজি সাহিত্যের জনক- জজ বানাড় শ, Pote of dramatic monologue- রবার্ট ব্রওইং, কিশোর কবি- জন কিটস, প্রথম স্কট- স্যার ওয়াল্টন স্কট, ব্যঙ্গাত্মক লেখক- জনাথন সুইফট, শ্লোকগাঁথা- জন মিলটন, অক্ষর খোদায়- চানস উহলকিনসন, প্রথম অভিধান- হেনারি পিটস ফরসটার।

এবার আসা যাক ইংরেজি সাহিত্যে পড়াশুনা:
আমরা চাইলে ইংরেজি সাহিত্য নিয়ে আলাদা ভাবে পড়াশুনা করতে পারি । কিন্তু আমাদের মধ্যে অনেকের এই বিষয়ে ধরণা নেই। চার বছর এই বিষয় স্নাতক ও একবছর স্নাতকোত্তর ডিগ্রী অর্জন করা যায়। যে বিষয় গুলো ছাড়াও আরো অনেক বিষয় নিয়ে পড়ানো হয়। যেমনঃ দর্শন (philosophy), ইংরেজি ব্যাকরণ (English grammar), নাটক ( drama), মঞ্চ নাটক (Stage drama)। এছাড়া ও আরো কিছু ঐচ্ছিক বিষয় পড়ানো হয়।

বিশ্বের কোথায় সবচেয়ে ভালো ইংরেজি সাহিত্য পড়ানো হয় :
হার্বাট ইউনিভার্সিটি (আমেরিকার), স্টানফোর্ড ইউনিভার্সিটি (ক্যালিফোর্নিয়া), পিংন্টন ইউনিভার্সিটি (আমেরিকার), অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি (ব্রিটেন), ইউনিভার্সিটি অফ ক্যামব্রিজ।

যে সব দেশ থেকে ইংরেজি সাহিত্যের পথচলা শুরু :
ইন্ডল্যান্ড, স্কটল্যান্ড, আয়ারল্যান্ড, ওয়েলসে, আমেরিকার, ব্রিটেনে ১৯শ শতাব্দীতে থেকেই ইংরেজি সাহিত্যের বহিঃপ্রকাশ ঘটে।

ইংরেজি সাহিত্যে মেধাবৃত্তি:
ইন্ডল্যান্ড, স্কটল্যান্ড, আয়ারল্যান্ড, নিউজিল্যান্ডে, আমেরিকা, ব্রিটেন, অস্ট্রেলিয়া। বিশেষ করে অস্ট্রেলিয়া বিশ্বের সব দেশের শিক্ষার্থীদের ২ বছরের বিশেষ মেধাবৃত্তি দিয়ে থাকেন।

ইংরেজি সাহিত্যে পড়ে কি কি ক্ষেত্রে কাজ করা যায় :
আপনি একজন লেখক হিসাবে কাজ করতে পারেন। লেখক হিসাবে কাজ করলে আপনার সৃজনশীলতা বিকাশ ঘটবে। যা নতুন কিছু সৃষ্টিতে অবদান রাখবে। বই পর্যালোচনা কাজ ইংরেজিতে বললে Book Reviewer বলতে আপনি একজন লেখকের বই পড়ে আপনি আপনার মতামত প্রকাশ করবেন। বইটি পড়ে আপনার ভালো লাগেছে নাকি মন্দ।

বই সমালোচক বা Book critics :
এটি পড়ে সেই বইয়ের মধ্যে কি কি পরিবর্তন করা যেতে পারে । বইয়ে কি কি ভুল সংশোধন করা যায়। এছাড়ও একজন প্রকাশক হিসাবে কাজ করতে পারেন। বিভিন্ন বইয়ের মুদ্রণ। বিভিন্ন ইংরেজি পত্রিকার লেখক হিসাবে কাজ করা যায়। সরকারি- বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকতা, বিসিএস, বিভিন্ন টেলিভিশনে বিনোদন সাংবাদিক হিসেবে কাজ করা যেতে পারে।
ইংরেজি সাহিত্য বা যে কোন সাহিত্য অনেকের কাছেই বিরক্তির কারণ। কিন্তু আমরা এটা বুঝিনা যে সাহিত্য আত্নউপলব্ধি বাড়াতে সাহায্য করে। আমাদের জ্ঞানের ভান্ডার কে সমৃদ্ধ করে তোলে। আমাদের ভাবনার প্রসার ঘটায়। ইংরেজি সাহিত্য মধ্যে যে বইটি আমার কাছে সবচেয়ে ভালো লেগেছে জজ অরওযেল এর এনিম্যাল ফার্ম বইটি। এটা একটা কলজয়ী বই। একারণে বলছি যে আপনি সবদেশের রাজনৈতিক ক্ষেত্রের বিভিন্নদিক এই বইয়ের যে আলোকে বিচার করতে পারবেন। এরিষ্টল বলেছেন- man is by bron political animal- এক কথায় পূর্ণতা। ইংরেজি সাহিত্যে সবচেয়ে রোমানন্টিক বই হচ্ছে লিরিকান ব্যালাড যার লেখক উইলিয়াম ওয়ার্ড ওর্থ।
যে বইটি পড়লে আপনি মুগ্ধতা শীর্ষ এ পৌঁছাতে পারবেন বলে আমার মনে হয়। সাহিত্য পড়লে আমরা বিভিন্ন সময় বিভিন্ন লেখকের লেখা পড়ে থাকি। সেই লেখার মধ্যে নানা উক্তি থাকে যা আমরা বাস্তব জীবনে প্রয়োগ করে থাকি। অন্ধকারে একজন বন্ধু নিয়ে হাটার চেয়ে আলোতে একা হাটা ভালো- হেলেন কিলার, আইন ভাঙ্গার জন্য তৈরি হয়- জন স্মিথ। অসহায়কে অবজ্ঞা করা উচিত নয় কারণ মানুষ মাত্রেই জীবনে কোন না কোন সময় অসহায়তার শিকার হয়- গোল্ড স্মিথ

আমরা যত পড়ি ততই আমাদের অজ্ঞানতাকে আবিষ্কার করি- শেলী। আমার দোষ তুমি আমাকে বল- ইমাম গাজ্জালী। ইংরেজি সাহিত্যের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপহার নোবেল পুরস্কার । এ পর্যন্ত ১৭ এই জন এই পুরস্কার পেয়েছেন আমার গর্ব করার বিষয় জানেন কি এই ১৭ জনের একজন হচ্ছে ররবীন্দ্রনাথ ঠাকুর যিনি গীতাঞ্জলি ইংরেজি অনুবাদ করে ১৯১৩ সালে নোবেল পান। সাহিত্য এমন একটি বিষয় যা আপনাকে কখনই খালি হাতে ফিরিয়ে দেয় না। বরং নতুন কিছুর সন্ধান দেয়।

প্যারিসের একজন লেখক একটি শহরে বসেই তিনি তার মৃত্যু শেষ দিন পর্যন্ত পৃথিবীর সমন্ধে অনেক কিছু লিখে গিয়েছেন। সমুদ্র, পাহাড়, নদী এমনি কি নদীর তলদেশ অকধি। কি অঅদ্ভুত তাই না! অথচ উনি নাকি কখনোই পাহড় দেখেনি। সাহিত্য আমাদের অনেক কিছু দিয়ে থাকে,যা শুধু আমাদের গ্রহনের উপেক্ষা। সর্বশেষে শেক্সপিয়ার একটি উক্তি আছে। যে দরজা দিয়ে অভাব ঢুকলে জানালা দিয়ে ভালোবাসা পালায়। এই বিষয়টি আমার পরিক্ষা করে দেখার খুব ইচ্ছে।

Leave a Comment

error: Content is protected !!