Food Engineering কেনো পড়বো?

Food Engineering কেনো পড়বো?

Nutrition and Food Engineering

Nutrition and Food Engineering পড়তে চাইলে পুষ্টি ও খাদ্য প্রকৌশল নিয়ে ব্যবহারিক শিক্ষার মাধ্যমে দক্ষ ও অভিজ্ঞ করে গড়ে তোলা হয়। বর্তমান সময়ের চাহিদা মাথায় রেখে বৈজ্ঞানিক উপায়ে বিবিধ যন্ত্রকৌশল ব্যবহারের মাধ্যমে ভেজালমুক্ত সুষম খাদ্য উৎপাদন এবং বাজারজাতকরণ প্রক্রিয়া বিভিন্ন খাদ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর সামনে একটি বড় চ্যালেঞ্জ।

ল্যাবরেটরি প্রতিস্থাপনের মাধ্যমে খাদ্যের গুণগতমান পরীক্ষা করে উত্তম রূপে বাজারজাত করার জন্য দেশে বর্তমানে বহু প্রতিষ্ঠান সচেষ্ট। তবে বহুজাত খাদ্য উৎপাদনকারি প্রতিষ্ঠান গুলোতে প্রয়োজনের তুলনায় এই ক্ষেত্রটিতে দক্ষ ও অভিজ্ঞ লোকের ব্যাপক অভাব পরিলক্ষিত হচ্ছে।অপার সম্ভাবনার কথা মাথায় রেখে প্রাতিষ্ঠানিক, তত্ত্বীয় ও কারিগরী শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে অনেকেই পুষ্টি ও খাদ্য প্রকৌশলী হিসেবে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে নিজের কর্মক্ষেত্র হিসেবে জায়গা করে নিয়েছেন।। তত্ত্বীয় শিক্ষার পাশাপাশি ব্যবহারিক শিক্ষার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা হাতে কলমে খাদ্য উৎপাদন, গুণগত মান এবং বাজারজাতকরণের কৌশল আয়ত্ত করছেন। বাস্তবসম্মত শিক্ষা কারিকুলাম, মানসম্পন্ন শিক্ষকমণ্ডলী, যুগোপযোগী শিক্ষা উপকরণ, সীমিত শিক্ষাব্যয়ের কারণে  খাদ্য ও পুষ্টি বিভাগটিতে শিক্ষার্থীরা সহজেই এ বিষয়ের ওপর বিএসসি কোর্স সম্পন্ন করতে সক্ষম হচ্ছে।

ইউনিভার্সিটিতে খাদ্য ও পুষ্টি বিভাগটির প্রধান লক্ষ্য হচ্ছে শিক্ষার্থীদের খাদ্য প্রকৌশল, পুষ্টি, খাদ্য নিয়ন্ত্রণ, ক্লিনিক্যাল নিউট্রিশন, ফুড কেমিস্ট্রি, ফুড মাইক্রোবায়োলজি, ফুড প্রিজারভেশন, ফুড প্যাকেজিংসহ নানা বিষয়ে দক্ষ ও অভিজ্ঞ করে গড়ে তোলা হয়।

ড্যাফোডিল ইন্টান্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে পুষ্টি ও খাদ্য প্রকৌশল বিভাগটি চালু হয় ২০০৯ সালের ফল সেমিষ্টার থেকে । ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে চার বছর মেয়াদি ১৪৪ ক্রেডিটের বিএসসি ইন নিউট্রিশন অ্যান্ড ফুড ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ে থাকছে, ইনট্রোডাকশন টু ফুড সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি, হিউম্যান নিউট্রিশন, ফুড সায়েন্স, বেসিক কেমিস্ট্রি অ্যান্ড প্র্যাকটিক্যাল, বেসিক বায়োকেমিস্ট্রি, ফুড মাইক্রোবায়োলজি, ফুড সেফটি অ্যান্ড হাইজিন, ক্লিনিক্যাল নিউট্রিশন অ্যান্ড ডায়েটেটিক্স, কোয়ালিটি কন্ট্রোল অব ফুড, এনভায়রনমেন্টাল ফুড টেকনোলজি, ফুড অ্যান্ড বায়োপ্রসেস ইঞ্জিনিয়ারিং ডিজাইনসহ মোট ৬০টি বিষয়।

এছাড়াও State University of Bangladesh এ এই সাবজেক্ট টা পড়ানো হয়।

 

কি পড়ানো হয়-
বর্তমান বিশ্বে চাহিদাসম্পন্ন বিষয় হিসেবে ফুড ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড টি টেকনোলজি আলাদা একটি অবস্থান তৈরি করে নিয়েছে। বিজ্ঞান বিভাগের স্বল্পসংখ্যক মেধাবী শিক্ষার্থীই এই বিষয়ে পড়ার সুযোগ পেয়ে থাকে। খাদ্য ও চা শিল্পের উন্নয়নে শিক্ষার্থীদের দক্ষ প্রকৌশলী এবং গবেষক হিসেবে গড়ে তুলতে এ বিভাগের আওতায় পড়ানো হয় ফুড প্রিন্সিপ্যাল অফ ফুড ইঞ্জিনিয়ারিং, ফুড প্রসেসিং এন্ড প্রিজারভেশন, সেফটি এন্ড সেনিটেশন অফ ফুড ইন্ডাস্ট্রি, ইউনিট অপারেশন অফ ফুড ইঞ্জিনিয়ারিং, কোয়ালিটি কন্ট্রোল ইন ফুড এন্ড টি ইন্ডাস্ট্রি, টি ফিজিওলজি, এ্যাগ্রো টেকনোলজি অফ টি, জেনেটিক্স এন্ড টি ব্রিডিং, টি ম্যানুফেকচারিং এন্ড প্যাকেজিং, এ্যানটোলজি এন্ড প্যান্ট প্যাথোলজি অফ টিসহ মোট ১৬২ ক্রেডিটের নানা বিষয়।


Job Opportunity :

বাংলাদেশে প্রথম ও একমাত্র ফুড ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড টি টেকনোলজি বিভাগটি নতুন সৃষ্টি হওয়ায় অনেক জায়গায় এর কর্মক্ষেত্র রয়েছে। বিভিন্ন চা এস্টেট ও খাদ্য শিল্প এই বিভাগের শিক্ষার্থীদের মূল কর্মক্ষেত্র। খাদ্য ও চা শিল্পে এফইটি বিভাগের শিক্ষার্থীদের চাহিদা দিন দিন বেড়েই চলছে। এছাড়া চা গবেষণা ইনস্টিটিউট ও ইন্টারন্যাশনাল কোয়ালিটি কন্ট্রোলার হিসেবেও এ বিভাগের শিক্ষার্থীরা কাজ করে যাচ্ছে।
এ বিভাগ থেকে পাস করা শিক্ষার্থীরা বসে নেই। সুষম খাদ্য উৎপাদন এবং চা-শিল্পে এ বিভাগ থেকে পাস করা প্রকৌশলীরা সুনামের সঙ্গে কাজ করছেন।খাদ্য ও চা- শিল্পের উন্নয়নে দক্ষ মানবসম্পদ তৈরিতে FET বিভাগটি বিশেষ অবদান রাখছে।

ফুড ইঞ্জিনিয়ার হিসাবে ক্যারিয়ারঃ
ক্রমবর্ধমান শিল্পায়নের এ যুগে প্রক্রিয়াজাত খাদ্যের চাহিদা বেড়েই চলেছে। সে জন্যে খাদ্য প্রক্রিয়ার কারখানার সংখ্যা প্রতি বছরই বেড়ে চলেছে। এক গবেষণায় দেখা গেছে, আগামী দু’বছরে দেশে খাদ্য প্রক্রিয়ার কারখানা দশ শতাংশ বেড়ে যাবে যেখানে ফুড সায়েন্টিস্টদের কাজের সম্ভবনা! তাছাড়া দেশের জনসংখ্যা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে খাদ্যের ওপরও প্রভাব পড়ছে। এ অবস্থায় উন্নয়নের ধারা বজায় রাখতে গড়ে উঠছে খাদ্য শিল্পপ্রতিষ্ঠান কিংবা বেভারেজ ও বেকারিশিল্প। এসব শিল্পের সঙ্গে যুক্ত হচ্ছেন খাদ্য প্রকৗশলীরা। নানা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পাঠ্যক্রমে খাদ্য প্রকৌশল বিষয়কে অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে। বাড়ছে এ পেশায় আকর্ষণীয় ক্যারিয়ার গড়ার সুযোগ।

দেশের বড় বড় ফুড প্রসেসিং কোম্পানিতে কাজ করছেন ফুড ইঞ্জিনিয়ার’রা যেমনঃ
প্রাণ গ্রুপ,স্কয়ার,নেসলে,ফ্রেশ ,মিল্ক ভিটা, নাবিস্কো, ইত্যাদি! তাছাড়া ন্যাশনাল-মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানি, পাঁচতারা হোটেল, ক্যাটারিং সংস্থায় কাজের জায়গা রয়েছে। পড়ালেখায় ভালো করলে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, মেডিক্যাল রিসার্চার, এক্সারসাইজ ফিজিওলজিস্ট, ফুড সায়েন্স রিসার্চার, হোম ইকোনমিস্ট পেশায় যুক্ত হতে পারবেন!

উন্নত দেশগুলোতে food process ইঞ্জিনিয়ারদের যথেষ্ট চাহিদা রয়েছে সাথে আর এক্ষেত্রে u.s bureau of labor statistics এর মতে U.S.A এর একজন food process engineer এর $92,000

আর বাংলাদেশে চাকুরীর জন্য
BCIC pyrolysis oil , cosmetics , paint & cement industry glass & ceramic industry, water treatment plant , MEDICINE INDUSTRY, ETP plant , textile dying unit, Beverage & drinks chocolate factory ( ক্যাটবেরি , কিট-ক্যাট কার না পছন্দ ? ) Dairy , meat , fruits & vegetables process!

দিনশেষে বলা বাহুল্য সরকারি ক্ষাতে – বেসরকারি ক্ষাতে এবং বিদেশে ফুড ইঞ্জিনিয়ার দের অনেক অনেক চাহিদা রয়েছে!

Nutritionist হিসেব ক্যারিয়ার-
আমাদের দেশে এমনকি সারা বিশ্বেই নিউট্রিশনাল সায়েন্সে ডিগ্রিধারীদের চাহিদা রয়েছে। ডায়েটেশিয়ান এবং নিউট্রিশনিস্টদের চাহিদা বর্তমান যুগে বেশ উঁচু। এছাড়াও বিদেশ হতে পি.এইচ.ডি গ্রহন করে চাকরী বাজারে বিভিন্ন পেশায় বেশ মোটা অঙ্কের সেলারী লাভের নিশ্চয়তা রয়েছে।

দেশের অধিকাংশ প্রতিটা জেলায় পুষ্টিবিদ নিয়োগ দেয়ার ঘোষনা দিয়েছে এবং পরবর্তীতে প্রতিটি উপজেলা তে নিয়োগ দেওয়া হতে পারে। সরকারি হাসপাতাল গুলোতে ও আলাদা পুষ্টিবিদ এন্ড ডায়টেসিয়ান নিয়োগ দেয়া হবে।

অনিয়ন্ত্রিত খাদ্য গ্রহনের ফলে বেড়েই চলছে মানুষের স্থুলতা, তাই সুস্থ স্বভাবিক জীবনযাপনের লক্ষ্যে ডায়েটেশিয়ান এবং নিউট্রিশনিস্টদের সঙ্গে সাক্ষাৎ ও বেড়েই চলেছে সমানুপাতিক ভাবে।
ফলে দেশের বিভাগীয় এবং জেলা শহর গুলোতে বড় বড় বিভিন্ন বেসরকারি হাসপাতাল এবং ক্লিনিকে নিউট্রিশনিস্ট এবং ডায়টেশিয়ান এর পদ রাখা হচ্ছে।তাই Nutrition এর উপর প্রোপার নোলেজ অর্জন করে Nutritionist এবং Dietecian হিসাবে ক্যারিয়ার গড়তে পার সহজেই এবং যোগ দিতে পার সরকারি এবং বিভিন্ন বড় বড় বেসরকারি হসপিটাল এ। ( Private Hospital-Apollo, SQUARE, United Hospital, Ad-Din, IBN SINA etc.)

চাকরির ক্যারিয়ার হিসেবে বেচে নিতে পারেন নিউট্রিশনিস্ট অফিসার হিসেবে ন্যাশনাল এবং ইন্টারন্যাশনাল এনজিও এবং সংস্থাগুলোতে, রয়েছে উচ্চ বেতনে চাকরি করা সুযোগ(স্টার্টিং স্যালারী কমপক্ষে ৩০ থেকে ৭৫ হাজার অব্দি বেতনের জব এবং পরবর্তীতে অভিজ্ঞতার আলোকে ১ থেকে দেড় লাক বেতনের জবও রয়েছ)।দেশের সীমানা পেরিয়ে বিদেশেও রয়েছে এ পেশায় চাকরির সুযোগ।

International NGO-
UN Organization: UNICEF, World Food Programme (WFP), World Health Organization (WHO), Food and Agriculture Organization (FAO), United Nation High Commissions for Refugees (UNHCR), United Nations Development Programme (UNDP).Helen Keller International, Save the Children, Action Contre la Faim (ACF), Concern Worldwide, International Relief etc.

NGO-
BRAC, DSK, SHED, NDP, Jagorani Chakra Foundation, SHIREE, Shushilan, Banchte Shekha, DORP, ESDO etc.

অবশেষে বলতে চাই NFE ডিপার্টমেন্ট এর স্টুডেন্ট’স রা চাকরি বাজারে বড় একটা স্থান নিয়ে রেখেছন! তাই সুন্দর সোনালী ক্যারিয়ার গড়তে NFE আপনাকে স্বাগতম!শুভকামনা রইলো সবার জন্য!

Leave a Comment

error: Content is protected !!