Wednesday, January 25, 2023

Latest Posts

2. Pharmacy কেনো পড়বো?

2. Pharmacy কেনো পড়বো?

প্রশ্ন-১:ফার্মেসি পড়ে নাকি চাকরি হয় না?
প্রশ্ন-২:ফার্মেসি পড়ে নাকি সরকারি চাকরির সুযোগ নেই??
প্রশ্ন-৩:ফার্মেসি পড়া শেষে বেতন কত দেয়??

★ফার্মাসিস্টদের সামনে বহুমুখী ক্যারিয়ার: –

একসময় বলা হতো ফার্মেসিতে পড়া মানেই বিদেশে পাড়ি জমানো। তখন, এত এত ওষুধ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান ছিল না।বর্তমানে ওষুধ কোম্পানির সংখ্যা এলোপ্যাথি + আয়ুরব্যাধি+ইউনানী মিলিয়ে ৮৫০+ টি।।এখন, আমাদের ওষুধের চাহিদার সবেচেয়ে বড় অংশ দেশেই উৎপাদন করা হয়। পাশাপাশি রপ্তানি করা হয় ১৬০ টি দেশে। তাই ওষুধ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানে বহুসংখ্যক জনবলের দরকার হচ্ছে। কদর বাড়ছে ফার্মেসি গ্র্যাজুয়েটদের।

★★কোথায় চাকরি, কেমন ভবিষ্যৎ? –

– বাংলাদেশে উৎপাদিত ওষুধ বিশ্বের প্রায় ১৪০টি দেশে রপ্তানি করা হয়। তাই ফার্মেসি গ্র্যাজুয়েটদের বড় চাকরির বাজার ইন্ডাস্ট্রিতে। ফার্মেসি গ্র্যাজুয়েটদের কদর ইন্ডাস্ট্রিতে বেশি।

-ফ্যাক্টরিতে ওষুধ উৎপাদন থেকে শুরু করে মান নিয়ন্ত্রণ, রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টেও সম্পৃক্ত ফার্মাসিস্টরা। বিভিন্ন কোম্পানিভেদে বেতন সাধারণত ২৬ থেকে ৩৫ হাজার টাকা। করপোরেট অফিসে ওষুধ বিপণনেও কাজ করেন ফার্মাসিস্টরা।

*ফার্মাসিতে ব্যাচেলর ডিগ্রির সঙ্গে এমবিএ থাকলে বাড়তি সুবিধা পাওয়া যায়। করপোরেটেও কম্পানিভেদে ২৬ থেকে ৩৫ হাজার টাকায় বেতন শুরু।

**ফার্মাসিস্টরা চাইলে গবেষক হিসেবে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কাজ করতে পারবেন।

**আপনি চাইলে ফার্মেসিতে গ্র্যাজুয়েশন করে এমবিএ করার পর অন্যদের মতো ব্যাংকে চাকরি করতে পারবেন।

**ক্লিনিক্যাল ফার্মেসি, ইন্ডাস্ট্রিয়াল ফার্মেসি, কমিউনিটি ফর্মেসির কোর্স রয়েছে। মাস্টার্সে যেকোনো একটি বিষয় পড়ানো ও ডিগ্রি দেওয়া হয়।

★★ফার্মেসি গ্র্যাজুয়েটদের চাকরির ক্ষেত্র—

দেশে অনেক ওষুধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান আছে। দেশের বাজার বড় হওয়ার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাজারে চাহিদা থাকায় তাদের পর্যাপ্ত পরিমাণের ওষুধ উৎপাদনের জন্য বহুসংখ্যক জনবলের দরকার হয়। এসব প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন বিভাগে ফার্মাসিস্টদের চাকরির সুযোগ আছে।

সরকারি চাকরির সুযোগ মূলত ড্রাগ নিয়ন্ত্রণ সংস্থা, ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরে চাকরির সুযোগ রয়েছে। এ ছাড়া সরকারি বিভিন্ন কমিউনিটি স্বাস্থ্যসেবা, হাসপাতালসহ বিভিন্ন দপ্তরে ভালো বেতনে ফার্মাসিস্ট নিয়োগ দেওয়া হয়।

বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ওষুধশিল্প ছাড়াও বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকে ফার্মাসিস্ট, ক্লিনিক্যাল ফার্মাসিস্ট, ফার্মেসি ম্যানেজার হিসেবে জনবল নিয়োগ দেওয়া হয়।

ফার্মাসিস্টরা ওষুধ বা ফার্মেসি সংশ্লিষ্ট পণ্যের মানোন্নয়ন, মাননিয়ন্ত্রণ, ব্যবস্থাপনাসহ বিভিন্ন দায়িত্ব পালন করেন। এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসি বিভাগে শিক্ষকতা, গবেষণার পাশাপাশি বিদেশে চাকরির সুযোগ আছে ফার্মাসিস্টদের।

★ কোথায় পড়বেন:

বাংলাদেশে ফার্মেসি বিষয়ে শিক্ষার যাত্রা শুরু হয় ১৯৬৪ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ফার্মেসি বিভাগ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে। বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বেশ কয়েকটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ফার্মেসি পড়ানো হয়। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ব্যাচেলর ও মাস্টার ডিগ্রি রয়েছে। কেউ চাইলে পিএইচডি ডিগ্রিও করতে পারবেন।

আর বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়েয়ের মধ্যে ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়, নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়, ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিক, ইস্ট ওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয়, স্টেট বিশ্ববিদ্যালয়সহ আরো অনেক বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ফার্মেসি বিষয়ে পড়ানো হয়।

★ভর্তি ও খরচাপাতি:

ফার্মেসি একটি মাল্টি ডিসিপ্লিনারি সাবজেক্ট (একসঙ্গে অনেক বিষয়ের সমন্বয়, যেমন—মাইক্রোবায়োলজি, বায়োটেকনোলজি, অ্যানাটমি ইত্যাদি)। এখানে রসায়ন ও জীববিজ্ঞানের সমন্বয় রয়েছে। ব্যাচেলর পর্যায়ে ফার্মেসিতে যেমন ওষুধ উৎপাদন, বিপণন পড়ানো হয়, তেমনি ফার্মাকোলজি, ফিজিওলজি, অ্যানাটমিও পড়ানো হয়। পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে নামমাত্র খরচ। প্রথম সারির কয়েকটি প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে ব্যালেচর প্রগ্রামের খরচ সাড়ে ৭ থেকে ১৫ লাখের মতো। আবার কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৫ থেকে ৭ লাখ টাকায় বিফার্ম কোর্স করা যায়। -এ ছাড়া বেশ কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ে মাস্টার্স কোর্স চালু রয়েছে। খরচ পড়বে এক থেকে দুই লাখ টাকা।

★বহুমুখী ক্যারিয়ার:

একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসি বিভাগের শিক্ষক ও ওষুধ প্রসাসনের কর্মকর্তা: শরীফুল ইসলাম বলেন, ‘ফার্মাসিস্টদের সামনে বহুমুখী ক্যারিয়ারের সুযোগ। ★ফার্মেসি গ্র্যাজুয়েটদের জন্য মার্কেটিং ও ইন্ডাস্ট্রিয়াল সেক্টরে সুযোগ বেশি। সাধারণত ফার্মাসিউটিক্যালস কোম্পানিতে আমরা ইন্ডাস্ট্রিয়াল সেক্টরে ইন্টার্নশিপ করিয়ে থাকি। ১৫ দিন ফ্যাক্টরিতে কাজ করতে হয়। এ ছাড়া গবেষণা সেক্টর, হাসপাতালে হসপিটাল ফার্মাসিস্ট হিসেবে কাজ করতে পারবেন। আইসিডিডিআরবিতে ফার্মেসি শিক্ষার্থীদের জন্য কোনো পোস্ট না থাকলেও গবেষক হিসেবে কাজ করার সুযোগ পাওয়া যায়। ফার্মেসি পড়ে ফার্মাকোলজি, বায়োটেকনোলজি, বায়োইনফরমেটিকস, নিউরোসায়েন্স, জেনেটিকস ইনফরমেশনসহ অনেক বিষয়েই উচ্চশিক্ষার সুযোগ রয়েছে।

★ফার্মেসি ফ্রেশারদের জন্য পরামর্শ:
ফার্মেসিতে অধ্যয়নত শিক্ষার্থীদের জন্য পরামর্শ জানতে চাইলে তিনি বলেন, কষ্ট করে লেগে থাকতে হবে। ফার্মেসি মোটামুটি কঠিন সাবজেক্ট। তবে কঠোর পরিশ্রম করলে সফল হবেই। তাই লেগে থাকো।’’

তথ্যসূএ:উইকিপিডিয়া-২০২১

Latest Posts

spot_imgspot_img

Don't Miss

Stay in touch

To be updated with all the latest news, offers and special announcements.

error: Content is protected !!